শ্বাসকার্য
এই অধ্যায়ে আমরা শ্বাসকার্য শিখব — নাক দিয়ে বাতাস নিয়ে শ্বাসনালী হয়ে ফুসফুসে পৌঁছানো এবং অক্সিজেন নেওয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়া।
শেখার লক্ষ্য
- শ্বাসপথ চেনা।
- ফুসফুসের কাজ বোঝা।
- অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের কথা জানা।
- শ্বাসনালী ও খাদ্যনালী আলাদা বোঝা।
মূল ধারণা
শ্বাসপথ
নাক দিয়ে বাতাস ঢোকে ও শ্বাসনালী দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছায়। গলার ভেতরে দুটি নল আছে পাশাপাশি — খাদ্যনালী (যা দিয়ে খাবার যায়) ও শ্বাসনালী (যা দিয়ে বাতাস যায়)।
ফুসফুস
বুকের ভেতরে দুটি ফুসফুস আছে। ফুসফুস বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয়।
শ্বাস নেওয়া ও ছাড়া
শ্বাস নেওয়ার সময় আমরা অক্সিজেনযুক্ত বাতাস নিই, আর ছাড়ার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড বের করি। নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ভালো, কারণ নাকে বাতাস ছেঁকে পরিষ্কার হয়।
শব্দার্থ ও সংজ্ঞা
- শ্বাসনালী
- যে নল দিয়ে বাতাস ফুসফুসে যায়।
- ফুসফুস
- বুকের ভেতরের অঙ্গ, যা বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয়।
সমাধানসহ উদাহরণ
প্রশ্ন 1. বাতাস কোন নল দিয়ে ফুসফুসে যায়?
সমাধান: শ্বাসনালী।
প্রশ্ন 2. শ্বাসকার্যের প্রধান অঙ্গ কী?
সমাধান: ফুসফুস।
যে ভুলগুলো এড়াব
- খাদ্যনালী ও শ্বাসনালী গুলিয়ে ফেলা।
- মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াকেই ভালো ভাবা (নাক দিয়ে নেওয়া ভালো)।
শ্বাসকার্য — কুইজ
5টি প্রশ্ন, সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মিলিয়ে দেখো।
আমরা সাধারণত কোন অঙ্গ দিয়ে শ্বাস নিই?
অনুশীলন প্রশ্ন
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্বাস ছাড়ার সময় আমরা কী বের করি?
কার্বন ডাই অক্সাইড।
বুকের ভেতরে কয়টি ফুসফুস আছে?
দুটি।
বড়ো প্রশ্ন
নাক থেকে ফুসফুস পর্যন্ত বাতাসের পথ লেখো।
নাক → শ্বাসনালী → ফুসফুস।
একটু ভেবে
নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া মুখ দিয়ে নেওয়ার চেয়ে ভালো কেন?
নাকে বাতাস ছেঁকে ধুলো-ময়লা আটকে পরিষ্কার হয়, তাই ফুসফুসে পরিষ্কার বাতাস যায়।
দ্রুত রিভিশন
রিভিশন নোট
- নাক → শ্বাসনালী → ফুসফুস।
- ফুসফুস বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয়।
- অক্সিজেন নিই, কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়ি।
মনে রাখার কথা
- শ্বাসপথ ও ফুসফুস চিনি।
- নাক দিয়ে শ্বাস নিই।
প্রশ্নোত্তর
খাদ্যনালী দিয়ে কী যায়?
খাবার।