প্রাণীদের বৈচিত্র্য
এই অধ্যায়ে আমরা প্রাণীদের নানা বৈশিষ্ট্য চিনব এবং খাদ্য অনুযায়ী প্রাণীদের ভাগ করতে শিখব।
শেখার লক্ষ্য
- প্রাণীদের নানা বৈশিষ্ট্য চেনা।
- তৃণভোজী, মাংসাশী ও সর্বভুক চেনা।
- প্রাণীরা কীভাবে নিজেদের বাঁচায় তা বোঝা।
- উদাহরণ দেওয়া।
মূল ধারণা
নানা বৈশিষ্ট্য
প্রতিটি প্রাণীর আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে — কারও শিং (গোরু), কারও ধারালো নখ (বিড়াল, বাঘ), শজারুর গায়ে কাঁটা। কিছু প্রাণী চারপাশের রঙে মিশে যায় (যেমন গিরগিটি) — একে ছদ্মবেশ বলে। এই বৈশিষ্ট্য তাদের বাঁচতে সাহায্য করে।
খাদ্য অনুযায়ী ভাগ
যারা শুধু ঘাস-পাতা খায় তারা তৃণভোজী (গোরু, ছাগল); যারা মাংস খায় তারা মাংসাশী (বাঘ, সিংহ); যারা দুটোই খায় তারা সর্বভুক (কাক, মানুষ)।
বাসস্থান
কেউ জলে থাকে (মাছ), কেউ ডাঙায় (গোরু), কেউ গাছে বা আকাশে (পাখি)।
শব্দার্থ ও সংজ্ঞা
- তৃণভোজী
- যেসব প্রাণী শুধু ঘাস-পাতা খায়।
- মাংসাশী
- যেসব প্রাণী মাংস খায়।
- সর্বভুক
- যেসব প্রাণী ঘাস-পাতা ও মাংস দুটোই খায়।
সমাধানসহ উদাহরণ
প্রশ্ন 1. বাঘ খাদ্য অনুযায়ী কোন প্রাণী?
সমাধান: মাংসাশী।
প্রশ্ন 2. গোরুর প্রধান অস্ত্র কী?
সমাধান: শিং।
যে ভুলগুলো এড়াব
- তৃণভোজী ও মাংসাশী গুলিয়ে ফেলা।
- ছদ্মবেশকে রং বদলের জাদু ভাবা (এটি আত্মরক্ষার উপায়)।
প্রাণীদের বৈচিত্র্য — কুইজ
5টি প্রশ্ন, সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মিলিয়ে দেখো।
যেসব প্রাণী শুধু ঘাস-পাতা খায় তাদের কী বলে?
অনুশীলন প্রশ্ন
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
ছাগল কোন ধরনের (খাদ্য অনুযায়ী)?
তৃণভোজী।
শজারু কীভাবে নিজেকে বাঁচায়?
গায়ের কাঁটা দিয়ে।
বড়ো প্রশ্ন
খাদ্য অনুযায়ী প্রাণীদের তিন ভাগের নাম ও একটি করে উদাহরণ দাও।
তৃণভোজী — গোরু; মাংসাশী — বাঘ; সর্বভুক — কাক।
একটু ভেবে
ছদ্মবেশ একটি প্রাণীকে কীভাবে সাহায্য করে?
চারপাশের রঙে মিশে গিয়ে সে শত্রুর চোখ এড়াতে পারে, তাই সহজে ধরা পড়ে না।
দ্রুত রিভিশন
রিভিশন নোট
- শিং, নখ, কাঁটা, ছদ্মবেশ — নানা বৈশিষ্ট্য।
- তৃণভোজী / মাংসাশী / সর্বভুক।
- প্রাণীরা নানা জায়গায় থাকে।
মনে রাখার কথা
- খাদ্য অনুযায়ী প্রাণী ভাগ করি।
- বৈশিষ্ট্য চিনি।
প্রশ্নোত্তর
সিংহ কোন ধরনের প্রাণী?
মাংসাশী।